...|...|...

সারাদেশ

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: কূটনৈতিক ঘাটতি নিয়ে যা বললেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

সিলেট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৯:২৭
Shares
সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: কূটনৈতিক ঘাটতি নিয়ে যা বললেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: টাইমস টুডে

সৌদি আরবে শরিয়াহ আইনের আওতায় দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনায় দূতাবাস বা সরকারের কোনো কূটনৈতিক ঘাটতি ছিল কি না, এমন স্পর্শকাতর প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে গেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিস্তারিত অবগত নন উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ই স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারবে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকালে সিলেট নগরের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের (কেমুসাস) মিলনায়তনে ‘সিলেটস্থ কোম্পানীগঞ্জ সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সৌদি আরবে দুই নাগরিকের ফাঁসি ও শিরশ্ছেদের ঘটনায় কূটনৈতিক সহায়তার অভাব নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি পুরোপুরি ক্লিয়ার (পরিষ্কার) না। কূটনৈতিক কোনো ঘাটতি ছিল কি না কিংবা সেখানে কী ঘটেছিল, তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে আটকে থাকা প্রবাসীদের প্রসঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী জানান, নানা কারণে প্রবাসে কারাগারে থাকা বাংলাদেশিদের মুক্তির জন্য সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে কতজন বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন, সেই সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তার কাছে নেই।

তিনি বলেন, কারাবন্দিদের অপরাধের মাত্রা ও ধরন পর্যালোচনা করে আইনি সহায়তা দিতে একটি বিশেষ টিম গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে প্রবাসীদের সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ও সামাজিক মূল্যবোধ কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সচেতনতা ও মানসিক কাউন্সেলিং বাড়ানো জরুরি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সৌদি আরবের একটি মসজিদ চত্বরে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে শরিয়াহ আইনের ‘তাআজির’ বিধানে বিচারকের নিজস্ব এখতিয়ারে এক বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতও এ রায় বহাল রাখে।

তবে এ বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তরা আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পেয়েছিলেন কি না কিংবা রায় পুনর্বিবেচনার আইনি অধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছিলেন কি না, তা এখনও অস্পষ্ট।