...|...|...

বিশ্ব

কাজ বাঁচাতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী আখ শ্রমিকেরা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৪:১১ | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৪:১৫
Shares
কাজ বাঁচাতে জরায়ু কেটে ফেলছেন ভারতের নারী আখ শ্রমিকেরা

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মহারাষ্ট্রের আখের ক্ষেতে কাজ করা হাজারো নারী শ্রমিকের জীবন যেন ঋণ, অসুস্থতা আর অবিরাম পরিশ্রমের এক দুষ্টচক্রে বন্দী। দিনে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেও মেলে সামান্য মজুরি। অসুস্থতা, ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা কিংবা গর্ভপাতের সময়েও নেই বিশ্রামের সুযোগ। কাজ বন্ধ রাখলে মজুরি কাটা যায়, বাড়ে ঋণের বোঝা। এই পরিস্থিতিতে কাজ চালিয়ে যেতে এবং অসহ্য শারীরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অনেক নারী জরায়ু অপসারণের মতো বড় অস্ত্রোপচারের কথা ভাবছেন। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরও কারও কারও যন্ত্রণা কমছে না।

ভোরের আলো ফোটার আগেই শুরু হয় পূর্ণিমার কর্মদিবস। দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রামনালে একটি অস্থায়ী তাঁবুতে থাকেন তিনি। ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠে কাজের প্রস্তুতি নেন। তার সাথে থাকা অন্য নারী শ্রমিকেরাও পুরুষদের ঘুম থেকে ওঠার আগেই হাত-মুখ ধুয়ে কাজে যাওয়ার জন্য তৈরি হন।

নিজেদের গ্রাম থেকে ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে এসে আখ কাটার কাজ করতে হয় তাদের। উদ্দেশ্য একটাই-পরিবারের ভরণপোষণ নিশ্চিত করা এবং আগের নেওয়া ঋণ শোধ করা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভারতের আখশ্রমিক নারীদের এমনই দুর্বিষহ জীবনের চিত্র।

ভারতে আনুমানিক ১৫ লাখ মানুষ আখ কাটার কাজে যুক্ত। তাদের অনেকেই দিনে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেন। বিনিময়ে দৈনিক মজুরি পান প্রায় ৪০০ রুপি। সাধারণত স্বামী-স্ত্রী জুটি বেঁধে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করেন। ট্রাকে আখ তোলার সময়টুকুই তাদের সামান্য বিরতির সুযোগ।

বিশ্বের মোট আখ উৎপাদনের প্রায় ১৬ শতাংশ আসে ভারত থেকে। উৎপাদনের দিক দিয়ে ব্রাজিলের পরেই দেশটির অবস্থান। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত আখ থেকে তৈরি চিনি কোকা-কোলা ও পেপসিকোর মতো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কোমল পানীয় উৎপাদনেও ব্যবহৃত হয়।

আখ কাটার শ্রমিকদের বড় একটি অংশ মহারাষ্ট্রের বিদ জেলার বাসিন্দা। নিজ এলাকায় পর্যাপ্ত কাজ না থাকায় পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে তাদের দূরদূরান্তে পাড়ি জমাতে হয়।

ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা, গর্ভপাতেও নেই ছুটি
আখের ক্ষেতে কাজ করা নারী শ্রমিকদের দুর্ভোগ শুধু দীর্ঘ সময়ের শারীরিক পরিশ্রমেই সীমাবদ্ধ নয়। পর্যাপ্ত শৌচাগার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই এমন অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করতে হয় তাদের। ফলে ঋতুস্রাবের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

এক দিন কাজে অনুপস্থিত থাকলেও মজুরি কাটা যায়। পাশাপাশি শ্রমিক ঠিকাদারের কাছে আর্থিক দায় তৈরি হতে পারে। ফলে মাসিকের তীব্র ব্যথা, গর্ভাবস্থা কিংবা গর্ভপাতের পরও অনেক নারী কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

কাজ বন্ধ রাখলে একদিকে কমে যায় আয়, অন্যদিকে বাড়ে ঋণের চাপ। আবার অসুস্থ শরীরে কাজ চালিয়ে গেলে ঝুঁকিতে পড়ে তাদের স্বাস্থ্য।

নারী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা কর্মীদের মতে, এই পরিস্থিতিতে অনেক নারী কাজ হারানোর ভয়ে নিজেদের শারীরিক সুস্থতাকেও উপেক্ষা করতে বাধ্য হন।

অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে জরায়ু অপসারণের চিন্তা
পূর্ণিমা দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগছেন। কাজের চাপের মধ্যে অসুস্থতা সামাল দিতে না পেরে তিনি এখন জরায়ু অপসারণের কথা ভাবছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই অস্ত্রোপচারকে হিস্টেরেকটমি বলা হয়।

পূর্ণিমার ভাষ্য, কাজ চালিয়ে গেলে তার কষ্ট আরও বাড়বে। ভারী জিনিস তোলা বন্ধ করতে পারলে হয়তো কিছুটা স্বস্তি মিলত। কিন্তু জীবিকা নির্বাহের জন্য এই কাজ ছাড়া তার সামনে অন্য কোনো পথ নেই।

গত তিন বছর ধরে অসহনীয় যন্ত্রণা সহ্য করছেন তিনি। ব্যথার চিকিৎসায় এক বছরে প্রায় ৫০ হাজার রুপি ব্যয় করেছেন বলেও জানান পূর্ণিমা। শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করাতে হলেও তাকে নতুন করে ঋণ নিতে হবে।

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, নিজের জরায়ু অপসারণ করাতেও তাকে ঋণ করতে হবে। তার মনে হচ্ছে, এই ব্যবস্থায় তার শরীরটাও যেন দাসে পরিণত হয়েছে।

ঋণের ফাঁদে আটকে শ্রমিকেরা
আখ কাটা মৌসুমি কাজ। এ কাজের ওপর মহারাষ্ট্রের বিদ অঞ্চলের বহু পরিবারের জীবিকা নির্ভরশীল। প্রতি বছর ঠিকাদারেরা শ্রমিকদের একত্র করেন, চিনি কলগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখেন এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা করেন। কাজ শুরুর আগে শ্রমিকদের অগ্রিম অর্থও দেওয়া হয়, যা স্থানীয়ভাবে দাদন হিসেবে পরিচিত।

আখ কাটার কাজে নিয়োজিত স্বামী-স্ত্রীদের স্থানীয়ভাবে ‘কয়তা’ বলা হয়। অগ্রিম নেওয়া অর্থ শোধ করতে তাদের নির্ধারিত সময় ধরে কাজ করতে হয়। প্রতিটি দম্পতির কাছ থেকে দিনে গড়ে অন্তত তিন টন আখ কাটার প্রত্যাশা করা হয়।

দলের আয় একসাথে হিসাব করা হওয়ায় একজনের কাজের গতি কমলে অন্যদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। কোনো নারী অসুস্থতার কারণে কাজ করতে না পারলে তার ঘাটতি পূরণে অন্যদের অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। এর জন্য কখনো কখনো ওই নারীর কাছেই অর্থ দাবি করা হয়।

এভাবে অসুস্থতা, কাজ হারানোর ভয় ও ঋণ পরিশোধের চাপ একে অন্যকে আরও জটিল করে তোলে।

অস্ত্রোপচার করেও কমেনি যন্ত্রণা
সবিতা নামের এক নারী শ্রমিক ২০২৫ সালের মার্চে অসহনীয় শারীরিক কষ্টের মধ্যে জরায়ু অপসারণের সিদ্ধান্ত নেন। তার আশা ছিল, অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন।

কিন্তু অস্ত্রোপচারের কয়েক মাস পরও তার রক্তপাত বন্ধ হয়নি। বরং পেটের ব্যথা আরও বেড়েছে এবং কাজ করা আগের চেয়ে কঠিন হয়ে পড়েছে।

সবিতা বলেন, তিনি চিকিৎসকদের বিশ্বাস করেছিলেন। ভেবেছিলেন, জরায়ু অপসারণ করলে সব যন্ত্রণা শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরও তাকে অসহ্য কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।

পুনে শহরে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানকার চিকিৎসকেরা তার শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কথা জানান বলে দাবি করেন সবিতা। পরে আগের অস্ত্রোপচারের চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি চাইলে তাকে তা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।

নারী অধিকারকর্মীদের মতে, যথাযথ চিকিৎসা মূল্যায়ন ছাড়া জরায়ু অপসারণের মতো বড় অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। চিকিৎসাগত প্রয়োজন ছাড়া এমন অস্ত্রোপচার নারীর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার নিয়ে উদ্বেগ
নারী অধিকারকর্মী সঙ্গীতা চৌহান ও রাজনীতিবিদ ড. নীলম গোরহে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। ২০১৯ সালে প্রকাশিত ড. নীলমের একটি প্রতিবেদনে মহারাষ্ট্রের কিছু অঞ্চলে জরায়ু অপসারণের উচ্চ হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

সঙ্গীতা চৌহানের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে কম খরচে চিকিৎসা ও নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কিছু নারীকে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে চাপ দেওয়া হয়। সেখানে উপযুক্ত চিকিৎসাগত কারণ ছাড়াই অস্ত্রোপচার করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

গ্রামীণ অঞ্চলে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার ‘আশা’ নামে পরিচিত স্বীকৃত সামাজিক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করেছে। তাদের কাজের মধ্যে রয়েছে সরকারি চিকিৎসাসেবা, মাতৃত্বকালীন সেবা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য পেতে নারীদের সহায়তা করা।

তবে সঙ্গীতা জানান, কয়েকজন আশা কর্মীর কাছ থেকে তিনি শুনেছেন, জরায়ু অপসারণের জন্য রোগী পাঠানোর বিনিময়ে কেউ কেউ অর্থ পেয়ে থাকেন। মহারাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট আশা কর্মীরা দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট-এর কাছে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ওয়াদওয়ানি এলাকার আশা কর্মী গঙ্গা শেবন্তে জানান, অল্পবয়সী নারীদের জরায়ু অপসারণের কথা তিনি শুনেছেন। তবে অস্ত্রোপচারগুলো সরকারি নাকি বেসরকারি হাসপাতালে করা হচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন। রোগীদের অস্ত্রোপচারের জন্য পাঠিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

সরকারি জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র
২০১৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকার বিদ জেলার ৮২ হাজার ৩০৯ জন নারী আখশ্রমিকের ওপর জরিপ চালায়। জরিপে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৬১ জনের জরায়ু অপসারণ করা হয়েছে। জরায়ু অপসারণ করা নারীদের ৪৫ শতাংশের বেশি পরবর্তী সময়ে শারীরিক কিংবা মানসিক বিভিন্ন সমস্যা ও যন্ত্রণার কথা জানান।

জরিপের পর সরকার জরায়ু অপসারণের অস্ত্রোপচার পর্যবেক্ষণ এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

২০২৫ সালের মার্চে বোম্বে হাইকোর্ট মহারাষ্ট্র সরকারকে শ্রমিকদের যথাযথ নিবন্ধন, কল্যাণমূলক সুবিধা ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। ওই বছরের নভেম্বরে হালনাগাদ তথ্যসহ একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা প্রকাশিত হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে মাঠপর্যায়ের নারী শ্রমিকদের দাবি, সরকারি উদ্যোগের সুফল তারা এখনো পাননি। পূর্ণিমা ও সবিতা দুজনেই জানান, তারা সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের সহায়তা পাননি।

ঠিকাদার ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য
শ্রমিকদের সাথে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের দাবি, তারা কাউকে জরায়ু অপসারণে বাধ্য করেন না। তবে অসুস্থতার কারণে কাজ বন্ধ রাখলে বেতনসহ ছুটির সুযোগও নেই। তাদের বক্তব্য, আখের পরিমাণ কম সরবরাহ করা হলে চিনি কলগুলো পরবর্তী সময়ে তাদের আর কাজ নাও দিতে পারে।

স্থানীয় ঠিকাদার আশরুবা দত্ত বলেন, তাদের আয় নির্ভর করে কারখানায় কত ওজনের আখ সরবরাহ করা হচ্ছে তার ওপর। শ্রমিক কম থাকলে অন্যদের ওপর অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে ঘাটতি পূরণ করাও সম্ভব হয় না বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে কোকা-কোলা জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সলিডারিডাডের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে। এ উদ্যোগের আওতায় শ্রমিকদের সুপেয় পানি, শৌচাগার, ছায়াযুক্ত বিশ্রামস্থল, আরামদায়ক যন্ত্রপাতি ও নারীস্বাস্থ্যসামগ্রী পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এ উদ্যোগে ইতোমধ্যে এক লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

পেপসিকোর সাথে যোগাযোগ করেছিল দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট, তবে প্রতিষ্ঠানটি কোনো জবাব দেয়নি। বিদ জেলার প্রশাসনিক প্রধান বিবেক জনসনের কাছ থেকেও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

টিকে থাকার জন্য শরীর বিসর্জনের আশঙ্কা
পূর্ণিমার শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা এখনো অব্যাহত। ব্যথা কমাতে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েও স্বস্তি পাননি তিনি। এখন অস্ত্রোপচার করাবেন, নাকি আরও কিছুদিন অপেক্ষা করবেন- এই দ্বিধায় রয়েছেন।

তার আশঙ্কা, অস্ত্রোপচার করাতে হলেও আবার ঋণ নিতে হবে। অথচ ঋণ শোধ করতে গিয়েই তাকে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

পূর্ণিমার আশা, যন্ত্রণা কমলে অন্তত আবার মাঠে কাজ করতে পারবেন এবং পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে পারবেন।

তার এই অসহায়তা ভারতের মৌসুমি কৃষিশ্রম ব্যবস্থার গভীর সংকটকে সামনে নিয়ে এসেছে। পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, বিশ্রামের সুযোগ এবং শ্রমিকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে আরও অনেক নারীকে নিজেদের স্বাস্থ্যের বিনিময়ে কাজ চালিয়ে যেতে হতে পারে।

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট