শেরপুরের শ্রীবরদীতে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কৃষক লীগের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। আটক জহুরুল ইসলাম উপজেলার খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়ন শাখা কৃষক লীগের সভাপতি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খামারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে শনিবার রাতেই শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর জ্যাঠা। তার মেয়ে ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী।
অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে বান্ধবীকে খুঁজতে জহুরুল ইসলামের বাড়িতে যায় ওই শিক্ষার্থী। সে সময় বাড়িতে তার স্ত্রী ও মেয়ে না থাকায় জহুরুল ইসলাম শিক্ষার্থীকে ঘরে ডেকে নেন। পরে দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, অভিযুক্ত তার সম্পর্কে জ্যাঠা এবং তার মেয়ে ওই শিক্ষার্থীর বান্ধবী। বান্ধবীকে খুঁজতে গিয়ে সে এ ঘটনার শিকার হয়। এ ঘটনায় সে বিচার দাবি করেছে।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে আটক করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


