...|...|...

জাতীয়

সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টাইমস টুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:২৭ | আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:১৭
Shares
সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকের দিন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আমরা সমঝোতার ভিত্তিতে সেই সংশোধনী গ্রহণ করতে চাই, যে সংশোধনী জনপ্রত্যাশা পূরণ করবে।’ তিনি জানান, বাংলাদেশের নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা সংবিধানে ধারণ করা হবে। 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এই নবযাত্রা এবং রাষ্ট্রকাঠামোর যে বিবর্তনমূলক কার্যে আমরা যাচ্ছি, রাষ্ট্রকাঠামোর যে গণতান্ত্রিক সংস্কার আমরা করতে চাই, সেগুলো সবই আমরা এখানে অ্যাড্রেস করব, ধারণ করব। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি ছিল, এখনও আছে। এই পর্যায়ে আমরা বলেছি, তাদের (বিরোধী দল) সাথে আমরা আলোচনা করব। দিন-তারিখ এবং তাদের তালিকা নির্ধারণ করে আমরা আলোচনা করব।

এরপর একটি কথা আমি বলেছি, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যে পাঁচটি নাম দেওয়ার কথা ছিল, সেই নামগুলো আমরা এখনও পাইনি। আমি আশা করি, তারা হয়তো অনুধাবন করবেন। এখন তারা হয়তো তাদের নাম দেবেন এবং তাদের সাথে আমরা আলোচনা করব।

এছাড়াও বিরোধী দলের সব সদস্যের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা যদি মিটিংয়ে এসে দেন, ভালো। মিটিংয়ের বাইরে লিখিতভাবে দিলেও আমরা সেটা গ্রহণ করব। এভাবে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনতে চাই এবং জনপ্রত্যাশার সবকিছু ধারণ করতে চাই। সবার সাথে আলাপ-আলোচনা করে আমরা সেই প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে চাই।

সংবিধান সংশোধনের পথে কোনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটিকে কোনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে প্রত্যাশা হিসেবে দেখছেন তারা। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, শহীদের রক্ত এবং জাতির বিশাল আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারা তৈরিতে কাজ করছে এ কমিটি। এই শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধারণ করতে হলে সংবিধান সংস্কারই প্রথম পদক্ষেপ।

তিনি আরও বলেন, কেবল রাজনীতিবিদেরাই নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো আগ্রহ প্রকাশ করলে সবার সঙ্গেই পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে। ফলে আলোচনা শেষ করার নির্দিষ্ট সময় এখনই বেঁধে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদের’ সংগৃহীত বিষয়গুলো এবং যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট ছিল, সেগুলো বিবেচনা করা হবে। এর পাশাপাশি সরকারি দলের নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সংবিধান সংস্কারের পথেই এগোচ্ছে কমিটি।