...|...|...

সারাদেশ

জামায়াত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় শিক্ষককে মারধর

ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৩৯
Shares
জামায়াত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় শিক্ষককে মারধর

জামায়াত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় শিক্ষককে মারধর। ছবি: টাইমস টুডে

ভোলার মনপুরায় জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে ফজরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে এক শিক্ষক ও তার বড় ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুজনই গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের কাউয়ারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত ফয়সাল হাওলাদার ও ইউনিয়ন জামায়াত নেতা মিজানের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রফিক মাওলানার মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি সমাধান হয়েছে বলেও জানা যায়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, ফজরের নামাজের পর মসজিদ থেকে স্থানীয় ফয়সাল হাওলাদার ও তার ছোট ভাই ফজলে লাভলু হাওলাদারকে একটি নির্জন স্থানে ডেকে নিয়ে জামায়েত নেতা মিজানসহ সাত-আটজন। সেখানে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

আহত ফজলে লাভলু হাওলাদার মনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার বড় ভাই ফয়সাল হাওলাদার একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) হিসেবে কর্মরত।

আহত শিক্ষক ফজলে লাভলু হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, জামায়েত নেতা মিজানের নেতৃত্বে সুমন, রিয়াদ, ফয়সাল, খোকন, অহিদ ও ইউসুফসহ আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে তারা গুরুতর আহত হন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মিজান বলেন, ফয়সাল হাওলাদার আগের রাতে জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। সকালে তার ভাতিজার মাধ্যমে ফয়সালকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। মিজান ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর একজন রোকন বলে জানা গেছে।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।