...|...|...

খেলা

জাতীয় দলে ফিরতে বিসিবির সাথে যোগাযোগ করেছেন জাহানারা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩১
Shares
জাতীয় দলে ফিরতে বিসিবির সাথে যোগাযোগ করেছেন জাহানারা

ছবি: সংগৃহীত

দুই বছর আগে হুট করেই অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন জাহানারা আলম। এরপর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই অভিজ্ঞ পেসার আবারও দেশের ক্রিকেটে ফিরতে ব্যাকুল। জাতীয় দলে ফেরার লক্ষ্যে ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে নামতেও রাজি তিনি। সম্প্রতি এই ইচ্ছার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নারী উইং প্রধান রফিকুল ইসলামের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেছেন জাহানারা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিসিবির নারী উইং প্রধান রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, 'হ্যাঁ, জাহানারা আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। বিসিবির আরও একাধিক কর্তাব্যক্তির সাথেও তার কথা হয়েছে। সে ঘরোয়া ক্রিকেটসহ সব ধরনের ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত।'

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন জাহানারা। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় থাকা অবস্থায়ই বিসিবির নারী বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি এবং অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির বিরুদ্ধে দলে গ্রুপিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুলে বিতর্ক তৈরি করেন তিনি।

১৩ পৃষ্ঠার চিঠিতে নানা বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেও আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি এই ডানহাতি পেসার। বরং উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ফেরার আভাস দিয়ে রেখেছিলেন।

অভিযোগের পাহাড় ঠেলে জাহানারার এই প্রত্যাবর্তন কতটা সহজ হবে—এমন প্রশ্নে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিসিবির নারী উইং প্রধান। রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমি কোনো ধরনের গ্রুপিংয়ে বিশ্বাস করি না। কারও ব্যক্তিগত রেষারেষি থাকলেও দেশের স্বার্থে তা গ্রহণযোগ্য নয়। জাতীয় দলের দরজা সবার জন্যই খোলা।'

তবে দুই বছর কোনো স্বীকৃত ক্রিকেট না খেলা জাহানারার জন্য জাতীয় দলে ঢোকার পথটি সহজ হচ্ছে না। অস্ট্রেলিয়ায় থাকাকালে ফিটনেস অনুশীলনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলেও তাকে পারফর্ম করেই আসতে হবে।

বিসিবি তাকে আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে নামার পরামর্শ দিয়েছে, যাতে রাজি হয়েছেন জাহানারাও। বিসিবি কর্মকর্তা পরিষ্কার জানিয়েছেন, কেবল ফিটনেস টেস্ট ও পারফরম্যান্সে উত্তীর্ণ হতে পারলেই নির্বাচকেরা তাকে বিবেচনা করবেন।

জাতীয় দলে ফেরার আলোচনা নিয়ে জানতে জাহানারার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ২০১১ সালে অভিষেক হওয়া অভিজ্ঞ এই নারী ক্রিকেটার জাতীয় দলের হয়ে ৫২টি ওয়ানডে ও ৮৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশকে ৭টি টি-টোয়েন্টি ও ২টি ওয়ানডে ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।