টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন লিটন দাস। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট ও শর্ট থার্ড ম্যান দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি উদযাপন করেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। তবে সেঞ্চুরির ঠিক পরপরই কাটা পড়েছেন তিনি। লিটনের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও মেহেদী হাসান মিরাজের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে আফগানিস্তানকে পাহাড়সম ৪৭৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনে ৭২ ওভারে ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে খেলতে নামে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে জীবন পাওয়ার সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগান লিটন। ইনিংসের শুরুর দিকে দুই দফা বেঁচে যাওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ১১৫ বলে ১৪ চারের সাহায্যে শতক পূর্ণ করেন তিনি। এই ইনিংসের সুবাদে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নবম বাংলাদেশী ব্যাটার হিসেবে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লিটন।
সেঞ্চুরির পর অবশ্য নিজের ইনিংস আর দীর্ঘ করতে পারেননি তিনি। মোহাম্মদ সেলিমের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে উইকেটকিপার ইকরাম আলী খিলের হাতে ক্যাচ দেন লিটন। আউট হওয়ার আগে ১১৭ বলে ১৪ চারে ১০২ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন তিনি।
লিটনের বিদায়ের মধ্য দিয়ে সপ্তম উইকেটে মিরাজের সঙ্গে তাঁর ২০১ বল স্থায়ী ১৪৯ রানের দুর্দান্ত জুটি ভেঙে যায়। দলীয় ৩৭২ রানে সপ্তম উইকেট হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৫২ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আফগানিস্তানের পক্ষে মোহাম্মদ সেলিম, ইয়ামিন আহমাদজাই ও জিয়াউর রহমান দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
টেস্টে ৪০০ বা তার বেশি রান তাড়া করে জয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়া বেশ কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। টেস্ট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চতুর্থ ইনিংসে চারশর বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড রয়েছে মাত্র চারটি। ২০০৩ সালে অ্যান্টিগায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১৮ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটি এখনও ২৩ বছর ধরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দখলে রয়েছে। সবশেষ ২০০৮ সালে চেন্নাইয়ে ভারতের বিপক্ষে ৪১৪ রান তাড়া করে জিতেছিল ক্যারিবীয়রা।


