বিএনপি নেতাদের স্বজনদের সারের ডিলারশিপ পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তার অভিযোগ, নীলফামারীর ডিমলায় বিএনপির সাবেক দুই নেতার ছেলেও সারের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ ঘটনাকে ব্যঙ্গ করে বিএনপি সরকারের ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের সাথে তুলনা করেছেন তিনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সারোয়ার তুষার লেখেন, ‘সারেও ফ্যামিলি কার্ড! দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে বিএনপি সরকারের ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প!’
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনোয়ার হোসেনের ছেলে মাবরুক আল ইসলাম জোয়াদ সারের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সারোয়ার তুষারের দাবি, জোয়াদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা আরও দাবি করেন, ডিমলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানের ছেলে তানভির রাফসানও ডিমলা সদর ইউনিয়নে সারের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তার ভাষ্য, তানভির রাফসান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
সারোয়ার তুষার তার পোস্টে অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সন্তান, স্ত্রী, শ্যালক, শ্যালকের স্ত্রী, ভাগ্নে ও ছোট ভাইয়েরা সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন।
এ ধরনের নিয়োগকে ব্যঙ্গ করে তিনি বিএনপি সরকারের ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের সাথে তুলনা করেন। পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার মন্তব্যেই ঘটনার উত্তর রয়েছে-‘সবই টাকার খেলা।’


