...|...|...

সারাদেশ

প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:০৪
Shares
প্রতিবেশীর ঘর থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিখোঁজ হওয়ার ১৪ ঘণ্টা পর প্রতিবেশীর বসতঘর থেকে হালিমা আক্তার নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ওই তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— একই এলাকার বাসিন্দা আবদুল আউয়াল, তার স্ত্রী আসমা বেগম ও ছেলে রবিউল। এর আগে শনিবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছিল।

পুলিশ জানায়, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের নিচিন্তা এলাকায় প্রতিবেশী আবদুল আউয়ালের ঘরের আলনার নিচ থেকে শিশু হালিমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে সকাল ৮টার দিকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে প্রতিবেশীর ঘরের আলনার নিচ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত হালিমা ওই এলাকার নাছির উদ্দিন ও রাশেদা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঘরের আলনার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছেন তিনি।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে শিশুটির বাবার দায়ের করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

ওসি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা হত্যার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। তবে মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।