...|...|...

চট্টগ্রাম

ঢাকায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, বিকেল ৫:৫৪ | আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬, রাত ১২:৩৭
Shares
ঢাকায় বিএনপি নেতা গ্রেফতার

গ্রেফতার মো. আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকা থেকে ফেনীর ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান কমিটির সদস্য মো. আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও প্রশাসনের জব্দ করা বালু ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং হত্যাচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি তিনি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে শাহজাহানপুরের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর লাংগলমোড়া গ্রামের আমির হোসেন লাকীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুলাই ছাগলনাইয়ায় ফেনী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং প্রশাসনের জব্দ করা বালু ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা বিএনপির নেতা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপুসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের অভিযোগ, তাদের ওপর ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনায় রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। ওই মামলার এক নম্বর আসামি করা হয় আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীকে। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টাসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার পর কয়েকদিন ধরে ছাগলনাইয়ায় উত্তেজনা বিরাজ করে। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আশঙ্কায় গত ২৯ জুলাই পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়। শহরের প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও জোরদার করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেদিন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ফেনী জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সিডিএমএস পর্যালোচনায় আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া থানায় অপহরণ, হত্যাচেষ্টা এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর অধীনে দায়ের করা মামলাসহ আরও একাধিক মামলা রয়েছে।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের বলেন, হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীকে ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অপহরণ ও বালু চুরিসহ আরও ৫টি মামলা রয়েছে।

এছাড়া তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।