...|...|...

বিশ্ব

জনগণের ভয়ে ইসরায়েলের সহায়তা নিল না সৌদি

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০০ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৮:৩৮
Shares
জনগণের ভয়ে ইসরায়েলের সহায়তা নিল না সৌদি

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে এ প্রস্তাবে সম্মতি দেননি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ইসরায়েলের সহায়তা গ্রহণ করলে সৌদি জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে-এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নেতানিয়াহু সৌদি আরবকে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলায় সহায়তা করার প্রস্তাব দেন। এর উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করা এবং ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ তৈরি করা। তবে দেশের সাধারণ মানুষ এ উদ্যোগকে কীভাবে নেবেন, তা নিয়ে উদ্বেগ থাকায় প্রস্তাবে রাজি হননি মোহাম্মদ বিন সালমান।

২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকে সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে দেশটি। মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশ সৌদি আরবের সাথে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু।

২০২৩ সালে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আলোচনা অনেকটা এগিয়েও গিয়েছিল। কিন্তু ওই বছরের অক্টোবরে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর সেই উদ্যোগ থমকে যায়।

পরবর্তীতে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ও ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাবনা আরও জটিল হয়ে পড়ে। সৌদি আরব স্পষ্ট করে জানায়, ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার আগে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথ তৈরি করতে হবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই