পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র অধীন কোনো দেশ হামলার শিকার হলে তাদের সহায়তা কীভাবে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
তিনি জানান, আক্রান্ত দেশের ‘আবেদন ও প্রয়োজনীয়তা’র ওপর ভিত্তি করেই কেবল সহায়তা পাঠানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘নিউউইক’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।
গত মাসে স্বাক্ষরিত যৌথ এই চুক্তিতে বলা হয়, তিন দেশের যেকোনো এক দেশ সশস্ত্র হামলার শিকার হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং আক্রান্ত দেশকে সহায়তায় সবাই এগিয়ে আসবে।
সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান জানান, আক্রান্ত দেশকে কীভাবে সহায়তা করা হবে তা নির্ভর করবে হামলার ধরনের ওপর। প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দা তথ্য, রশদ বা অস্ত্র দিয়ে সহায়তা দেওয়া হতে পারে। তবে হামলার তীব্রতা বেশি হলে জোটের দেশগুলো আরও উন্নত সামরিক সহায়তা পাঠাতে পারে, এমনকি সরাসরি লড়াইয়েও অংশ নিতে পারে।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট পরিষ্কার করেছেন যে, কোনো দেশ আক্রান্ত হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য দেশগুলো পাল্টা হামলায় জড়িয়ে পড়বে না। তার মতে, ইয়েমেন বা ইরাকের মতো জায়গায় হওয়া প্রতিটি ঘটনার জন্য তাৎক্ষণিক সামরিক প্রতিক্রিয়ার কথা ভাবা ঠিক হবে না।
উল্লেখ্য, গত মাসে চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই সৌদির তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তারা ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে দেওয়া সৌদির সহায়তা বন্ধ ও অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে।


