...|...|...

সারাদেশ

পটুয়াখালীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৮ জেলের সাজা

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫৮
Shares
পটুয়াখালীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৮ জেলের সাজা

ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ আহরণের সময় আট জেলেকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দফতর ও নৌপুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ও বিকালে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক জেলেদের মধ্যে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার লালপাতা গ্রামের একজন এবং পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরশিবা গ্রামের সাতজন রয়েছেন বলে জানা গেছে। এসময় ৩ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও তিনটি ট্রলার জব্দ করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন গলাচিপা উপজেলার ছোটশিবা গ্রামের মৃত আনছার জোমাদ্দারের ছেলে মো. লিটন জোমাদ্দার (৪০), ধীরেণ রানার ছেলে দিরীপ রানা (৪৫), আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. নিরব (২৮), খলিল হাওলাদারের ছেলে মো. রাব্বি হাওলাদার (২২), আমির হোসেনের ছেলে মো. রাসেল (২৭), মৃত আজীজ কাজীর ছেলে মো. বাবুল হোসেন (৩৮), ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার লালপাতা গ্রামের আফির উদ্দিন কাজীর ছেলে মো. রাজ্জাক কাজী (৫০) এবং মান্নান হাওলাদারের ছেলে মো. জসিম হাওলাদার (৪৫)।

উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দফতর ও নৌপুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

জব্দ করা অবৈধ কারেন্ট জাল হাজিরহাট এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর পাড়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম। এসময় নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফেরদৌস, উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার রহমাতুল্লাহসহ নৌপুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে পার্শ্ববর্তী চরফ্যাশন ও গলাচিপা উপজেলার আট জেলেকে মা ইলিশ আহরণের সময় আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।