...|...|...

জাতীয়

নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সাথে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০:৫২ | আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৩:১১
Shares
নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সাথে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে ইতিবাচক আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রস্তাবিত ঋণ কর্মসূচির বেশিরভাগ শর্তের সাথেই একমত হয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের সাথে বৈঠক শেষে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব আহরণ আগের তুলনায় বেড়েছে। অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে যারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, তারা ফিরে আসছেন।

তিনি আরও জানান, আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসবে; বেসরকারি খাতের সহায়ক অর্থায়ন নিয়ে হবে আলোচনা।

বিশ্ব অর্থনীতির নীতি-নির্ধারণী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার। ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, অর্থমন্ত্রী ও উন্নয়ন সহযোগীসহ ১৯১ দেশের ১৫ হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পুরোনো ঋণচুক্তি বাতিলের পর গত মে মাস থেকে আইএমএফের সাথে নতুন কর্মসূচি নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। এ আলোচনার ভিত্তিতে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে পুরোনো ঋণচুক্তি বাতিলের পর নতুন কর্মসূচির শর্তের বিষয়ে কিছুটা রক্ষণশীল অবস্থানে রয়েছে আইএমএফ। আগের মতোই ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কার, বিভিন্ন খাতে সরকারি ভর্তুকি কমানো, সরকারি পরিসংখ্যানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি।

এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, গ্রিন ফাইন্যান্সের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অর্থনৈতিক প্রভাব ও ঝুঁকি মোকাবিলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে নতুন ঋণচুক্তির আলোচনা কতটা এগোয় এবং সংকট মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ কী ধরনের আশ্বাস পায়, তা নিয়ে অর্থনীতি বিশ্লেষকদের নজর এখন ব্যাংককের সম্মেলনের দিকে।