...|...|...

জাতীয়

দারিদ্র্য থেকে বের হওয়ার সিঁড়ি কোথায় ভেঙে যাচ্ছে?

যোবায়ের আহমদ
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩৩
Shares
দারিদ্র্য থেকে বের হওয়ার সিঁড়ি কোথায় ভেঙে যাচ্ছে?

ছবি: সংগৃহীত

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্যাডেল ঘোরান মতিন মিয়া। ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে দিন শেষে যা আয় হয়, তা দিয়ে চার সদস্যের সংসার চালানোই কঠিন। রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকেন তিনি। মাসে বাসাভাড়া, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল মেটাতেই চলে যায় ১৫ হাজার টাকা। খাবারের পেছনে লাগে আরও ৮ থেকে ১০ হাজার। এরপর সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসা আর গ্রামের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের জন্য কিছু টাকা পাঠানোর হিসাব। সব হিসাব মেলাতে গিয়ে নিজের চিকিৎসার প্রয়োজনও অনেক সময় উপেক্ষা করতে হয় তাকে।

মতিনের মতোই সংসারের খরচের সাথে প্রতিদিন লড়াই করতে হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বারেক মোল্ল্যাকে। মাসে ৩৫ হাজার টাকা আয় করেও রাজধানীতে পাঁচ সদস্যের পরিবারের ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। বাসাভাড়া, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বাবদ ১৯ হাজার টাকা এবং খাবারে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচের পর হাতে থাকে মাত্র ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। এই টাকায় ছোট সন্তানের দেখাশোনা, বাবা-মায়ের প্রয়োজন, যাতায়াত ও চিকিৎসাসহ অন্যান্য ব্যয় মেটাতে হয়। ছোটখাটো অসুস্থতায় অনেক সময় চিকিৎসকের বদলে ফার্মেসি থেকেই ওষুধ নেন।

দুজনের পেশা ও আয় আলাদা, কিন্তু সংকটের জায়গাটি প্রায় একই- আয় হচ্ছে, সংসার চলছে, অথচ আর্থিক নিরাপত্তা তৈরি হচ্ছে না। প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাতেই আয়ের বড় অংশ শেষ হয়ে যাওয়ায় সঞ্চয়, উন্নত চিকিৎসা কিংবা সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য অর্থ জমানোর সুযোগ সীমিত।

গতকাল, ১৬ অক্টোবর, পালিত হয়েছে বিশ্ব খাদ্য দিবস। আর আজ ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস। দুটি দিবসের মধ্যকার যোগসূত্রও স্পষ্ট: মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি সেই খাবার কেনার সামর্থ্য, নিরাপদ বাসস্থান, চিকিৎসা ও সম্মানজনক জীবিকার নিশ্চয়তাও অপরিহার্য। খাবার বাজারে থাকলেই সবার পাতে তা পৌঁছায় না; আয় থাকলেই সবার জীবনে স্বস্তি আসে না।

দারিদ্র্য কমানোর বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি, পিছিয়ে বাস্তবতা

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান। কিন্তু সময়সীমা ঘনিয়ে এলেও বিশ্ব সেই লক্ষ্যের ধারেকাছে পৌঁছাতে পারেনি।

জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৮২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্যে বসবাস করছে। দৈনিক ৩ ডলারের কম আয়ের এই আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমা নির্ধারণে ২০২১ সালের ক্রয়ক্ষমতার সমতা ব্যবহার করা হয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বিশ্বে ২৮ কোটি ৪০ লাখ কর্মজীবী মানুষও চরম দারিদ্র্যের মধ্যে ছিলেন। অর্থাৎ, কাজ করেও বিপুলসংখ্যক মানুষ ন্যূনতম জীবনযাপনের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না।

জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপির প্রশাসক আলেকজান্ডার ডি ক্রু এক বক্তব্যে বলেছেন, দারিদ্র্য শুধু আয়ের অভাব নয়; খাবার, পানি, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার ঘাটতিও এর অংশ। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে, শুধু কাজের সুযোগ তৈরি করলেই হবে না, প্রয়োজন পর্যাপ্ত মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং অসুস্থতার সময় সুরক্ষা দেয়- এমন মানসম্মত কর্মসংস্থান।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচনের বড় বাধাগুলোর একটি এখানেই। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হলেও তার সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায় না। নিম্ন আয়ের মানুষের আয় বাড়ার তুলনায় যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় দ্রুত বাড়ে, তাহলে তাদের জীবনমানের উন্নতি হয় সামান্যই। অসুস্থতা, চাকরি হারানো কিংবা অন্য কোনো আকস্মিক সংকট সেই অগ্রগতিও কেড়ে নিতে পারে।

বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমেছে, কিন্তু নিরাপত্তা কতটা?

বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাসের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতি রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ পভার্টি অ্যান্ড ইকুইটি অ্যাসেসমেন্ট ২০২৫ অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। এ সময়ে জাতীয় দারিদ্র্য পরিমাপ অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। চরম দারিদ্র্যের হারও কমেছে।

তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্বব্যাংকের গত ৯ অক্টোবর প্রকাশিত বাংলাদেশ পভার্টি অ্যান্ড ইকুইটি ব্রিফে বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক শ্লথগতি, দুর্বল শ্রমবাজার ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আনুমানিক আরও ২১ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশের এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার সামান্য ওপরে অবস্থান করছে। ফলে সামান্য আর্থিক ধাক্কাও তাদের আবার দারিদ্র্যে ঠেলে দিতে পারে।

মতিন ও বারেকের সংসারের হিসাবেও সেই অনিশ্চয়তার প্রতিফলন দেখা যায়। মতিনের দৈনিক আয় ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা। প্রতিদিন কাজ পাওয়া গেলে আয় হয়, কিন্তু কাজ বন্ধ থাকলে সেই ধারাবাহিকতা থাকে না। অন্যদিকে বারেকের মাসিক আয় তুলনামূলক বেশি হলেও তার পরিবারের বাসস্থান ও খাবারের খরচেই চলে যায় ২৭ থেকে ২৯ হাজার টাকা। বাকি অর্থ দিয়ে পরিবারের অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ দুটি পরিবারের হিসাব জাতীয় দারিদ্র্যের হার নির্ধারণ করে না। তবে আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান কীভাবে একটি পরিবারকে আর্থিকভাবে ঝুঁকির মধ্যে রাখে, তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

খাবারের খরচ মেটাতে গিয়েই সংকুচিত হচ্ছে অন্য প্রয়োজন

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘উদ্ভাবন আজ, পুষ্টি আগামীকাল’ (Innovate today. Nourish tomorrow)। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএওর এই আহ্বান খাদ্যব্যবস্থাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও পুষ্টিকর করার ওপর গুরুত্ব দেয়। কিন্তু নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য খাদ্যপ্রাপ্তির প্রশ্নটি শুধু উৎপাদন বা সরবরাহের নয়; কেনার সামর্থ্যেরও।

মতিনের পরিবারে মাসিক খাবারের ব্যয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। বারেকের পরিবারেও প্রায় একই অঙ্কের অর্থ লাগে, যদিও সদস্যসংখ্যা পাঁচ। এর বাইরে বাসাভাড়া ও জ্বালানির ব্যয় মেটাতে গিয়ে দুই পরিবারেরই আর্থিক সক্ষমতা সংকুচিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে খরচ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

খাবারের ব্যয় মেটানোর পর শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা পুষ্টির মান বাড়ানোর মতো প্রয়োজনীয় খাতে অর্থ জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু বাজারে খাদ্যের সরবরাহ বাড়ানো যথেষ্ট নয়; মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, আয় ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতিও উদ্বেগমুক্ত নয়। এফএওর গত ৪ সেপ্টেম্বরের কান্ট্রি ব্রিফ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ সময়কালে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়তে পারেন বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া, জ্বালানি ও জ্বালানিসংশ্লিষ্ট ব্যয়ের চাপ এবং কিছু এলাকায় বন্যার প্রভাব রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্য উৎপাদন বা সরবরাহের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো থাকলেও সব পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত খাবার কেনা নিশ্চিত হয় না। খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে তাই কর্মসংস্থান ও ন্যায্য আয়ের সম্পর্ক গভীর।

চিকিৎসা, শিক্ষা ও বাসস্থানের ব্যয়: দারিদ্র্যের চক্র

মতিনের পরিবারে টাকার অভাবে কখনো চিকিৎসা অবহেলা করতে হয়। বারেকের পরিবারেও ছোটখাটো অসুস্থতায় চিকিৎসকের বদলে ফার্মেসির ওপর নির্ভর করার প্রবণতা রয়েছে। দুই অভিজ্ঞতাই দেখায়, আর্থিক সংকট শুধু বর্তমানের জীবনযাত্রাকে সীমিত করে না; ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য ও সক্ষমতাকেও ঝুঁকিতে ফেলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে সঞ্চয় শেষ হয়ে যাওয়া কিংবা ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন তৈরি হলে একটি পরিবার আবার দারিদ্র্যের দিকে ফিরে যেতে পারে। একইভাবে, সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহন করতে না পারলে ভবিষ্যতে ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগও সীমিত হতে পারে। এভাবে এক প্রজন্মের আর্থিক সংকট পরবর্তী প্রজন্মেও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

বাসস্থানের ব্যয়ও গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের হিসাবে, বিশ্বে ২৮০ কোটির বেশি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের অপর্যাপ্ত আবাসন সমস্যায় রয়েছেন। এ বছরের আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবসের বিশেষ গুরুত্বও ‘সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান’। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বক্তব্যে বলা হয়েছে, অনিরাপদ বাসস্থান ও অসহনীয় ভাড়া মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্থিতিশীল কর্মসংস্থানের সুযোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং দারিদ্র্যের চক্রকে দীর্ঘায়িত করতে পারে।

ঢাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারের ক্ষেত্রে বাসাভাড়া তাই শুধু একটি মাসিক বিল নয়; এটি খাদ্য, চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য অবশিষ্ট অর্থের পরিমাণও নির্ধারণ করে।

দারিদ্র্য থেকে বের হওয়ার সিঁড়ি মজবুত হবে কীভাবে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দারিদ্র্য বিমোচনের পথ তৈরি করতে হলে শুধু আয় বাড়ানোর সুযোগ নয়, সেই আয় ধরে রাখার নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। মানসম্মত কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি, সাশ্রয়ী বাসস্থান, সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ- সবকিছুকে সমন্বিতভাবে দেখতে হবে।

তারা আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়ানো ও প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছানোও জরুরি। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা পরিবারগুলোর জন্য কার্যকর সহায়তা এবং আকস্মিক সংকটে দ্রুত সুরক্ষার ব্যবস্থা প্রয়োজন। শুধু দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষকে সহায়তা করলেই চলবে না; যারা সামান্য ব্যবধানে সেই সীমার ওপরে রয়েছেন, তাদেরও আর্থিক বিপর্যয় থেকে রক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের বক্তব্যেও উঠে এসেছে, দারিদ্র্যের চক্র ভাঙতে সাশ্রয়ী বাসস্থান ও মৌলিক পরিষেবার পাশাপাশি সম্মানজনক কাজ এবং সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা প্রয়োজন। এই নীতিগুলো কার্যকর করা গেলে মানুষের সাময়িক আর্থিক অগ্রগতি আরও স্থায়ী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মতিন ও বারেকের মতো পরিবারগুলোর জন্য দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ কেবল মাস শেষে কিছু টাকা হাতে থাকা নয়। এর অর্থ- সন্তানের পড়াশোনার খরচ নিয়ে অনিশ্চয়তা না থাকা, অসুস্থ হলে চিকিৎসা করাতে পারা, পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের পাশে দাঁড়ানো এবং হঠাৎ কোনো সংকট এলে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে বাধ্য না হওয়া।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বে দারিদ্র্য কমানোর প্রতিশ্রুতি তাই কেবল পরিসংখ্যানের লক্ষ্য নয়; এটি মানুষের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। অর্থনৈতিক অগ্রগতি তখনই অর্থবহ হবে, যখন তার সুফল মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পৌঁছাবে। দারিদ্র্য থেকে বের হওয়ার সিঁড়ি তখনই মজবুত হবে, যখন সেই সিঁড়িতে উঠে আসা মানুষকে আর প্রতিটি ধাপে পড়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে বাঁচতে হবে না