...|...|...

ক্যাম্পাস

জবিতে টয়লেটের জায়গায় মন্দির, ফেরত যাচ্ছে টাকা

জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:০৫
Shares
জবিতে টয়লেটের জায়গায় মন্দির, ফেরত যাচ্ছে টাকা

মন্দির। ছবি: টাইমস টুডে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) টয়লেটের জায়গা দখল করে মন্দির স্থাপন, পরবর্তী জায়গা দিতে না পারায় ফেরত যাচ্ছে নির্মাণের টাকা দাবি করছে সিটি করপোরেশন কিন্তু প্রশাসন বলছে আগ্রহী নয় সিটি কর্পোরেশন।

জানা যায়, ২০২৩ সালে তৎকালীন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তন আধুনিকায়নসহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ২ টি টয়লেট নির্মাণের ঘোষনা দেন।

পরে এ প্রকল্পটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সামাজিক বিজ্ঞান-২ ভবন ও মুক্ত মঞ্চের পাশে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের পাশে পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল গেটের সামনে দুটি জায়গা অনুমোদন করে। যার মধ্যে অবকাশ ভবনের পাশের ওয়াশরুম তৈরির কাজ সম্পন্ন হয় এবং অন্যটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় মন্দির হিসেবে ঘোষণা করে যা নির্মাণকাজের প্রায় ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিটি কর্পোরেশনের আন্ডারে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম ও দুটি টয়লেট স্থাপনের বাজেট আসে। তবে অডিরিয়াম ও একটি টয়লেটের কাজ শেষ হলেও বাকি টয়লেটের কাজ শেষ না করে প্রকল্প শেষ করা হচ্ছে।

টয়লেট তৈরি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘দুটো ওয়াশরুমের জায়গা দেখানো হয়েছিল। ওইখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা মন্দির হিসাবে ঘোষণা করেন। এরপর সিটি করপোরেশনকে ওয়াশরুম তৈরির আরও দুই একটা জায়গা সিলেক্ট করতেছি, ওনারারে গড়িমসি করতেছে। সব মিলে ওনারা আগ্রহী না, কিন্তু আমরা ওয়াশরুম করতে চাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ প্রজেক্টের সব কিছু সিটি করপোরেশনের কাছে ছিল, ‘আমরা কিছুই করি নাই যা কিছু করছে সিটি কর্পোরেশন করছে।’

এ সম্পর্কে অঞ্চল-৪ ডিএসসিসি নির্বাহী প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই তিনবার জায়গা পরিবর্তনের পরে যে স্থানটাতে মন্দির করা হয়েছে ওইখানে টয়লেট স্থাপনের জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। আমরা ওইখানে প্রায় ৫০% কাজ সম্পন্ন করেছিলাম। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা ওই স্থানে মন্দির স্থাপন করে। এরপরেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টয়লেট স্থাপনের জন্য আমাদের আর কোনো জায়গা দিতে পারেনি। এজন্য আমরা দ্বিতীয় টয়লেট বাদে আমাদের কাজ শেষ করতেছি।’