চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। ফল প্রকাশের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলো।
শুক্রবার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডগুলো তাদের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্ধারিত সময় ছিল।
তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়া হলে ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
চলতি বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয় সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৩ লাখ ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এ ছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ৭৩ হাজার ৩৭ জন। সিলেট ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে যথাক্রমে ৭১ হাজার ৭১১ ও ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয় ৯২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন।
সব মিলিয়ে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।


